বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : অপরদিকে চলতি মাসেই নারায়ণগঞ্জ জেলায় ৫ হাজারেরও বেশি প্রবাসী ফিরে আসলেও বুধবার পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে মাত্র ৬০ জনকে।
এ দিকে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ও শহর এলাকায় হোম কোয়ারেন্টাইন নিয়ম না মানায় ৩ জনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া বন্দর এলাকায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা এক বিদেশফেরত ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে।
জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা (ডিএসবি) সূত্র জানিয়েছে, গত ১ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৩৯ জন প্রবাসী জেলায় ফিরে এসেছেন।
এ ব্যাপারে করোনা প্রতিরোধে গঠিত বিশেষ কমিটির জেলা পুলিশের পক্ষে কো-অর্ডিনেটর ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত বিদেশ ফেরত মোট ৬০ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল এবং এদের মধ্যে দু’জন ১৪ দিন পার করে বাড়িতে ফিরে গেছেন।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর অনেকেই নারায়ণগঞ্জের অধিবাসী হলেও এদের অনেকেই জেলায় ফিরে আসেননি। তাদের ব্যাপারেও আমরা খোঁজ-খবর নিচ্ছি। জেলার প্রতিটি থানায় করোনাবিষয়ক একজন করে নির্দিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
অপরদিকে জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম যুগান্তরকে জানান, বিদেশ ফেরত কেউ যেন হোম কোয়ারেন্টাইনের বাইরে না থাকে সে ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এই জেলায় সম্প্রতি বিদেশ ফেরত প্রত্যেকের ব্যাপারে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন করার ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। আমাদের নজরদারি যাতে না এড়ায় সে জন্য প্রবাস থেকে কেউ দেশে ফিরলে সঙ্গে সঙ্গে যেন স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয় সে জন্য মাইকিং করে আহ্বান জানানো হবে।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ জানান, এখনও পর্যন্ত কাউকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়নি। যারা আছেন তাদের সবাই বাড়িতে রয়েছেন। প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। তাদের বাইরে ঘোরাফেরা না করে বাসায় অবস্থান করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর